“Restriction on refrigerator” এই ছোট্ট ভুলেই ঘটতে পারে ফ্রিজ বিস্ফোরণ। কীভাবে সাবধান হবেন?
গরমকালে কত টেম্পারেচারে রাখবেন ফ্রিজ? ফ্রিজের সঠিক তাপমাত্রা কত? জেনে নিন………..
পারদের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে তাই এসি, ফ্রিজের ব্যবহারও বাড়ছে। আজকাল কার দিনে সব বাড়িতেই ফ্রিজ রয়েছে। তবে কিছু ছোটো ভুলের কারণে ফ্রিজ গরম হয়ে বোমের মতো যখন তখন ফেটে যেতে পারে। তবে বিস্ফোরণের আগে থেকেই বোঝা যায় যে তাতে কী কী সমস্যা দেখা দিচ্ছে। যেমন- হঠাৎ ফ্রিজটি শব্দ করতে শুরু করবে, ঠান্ডা হতে চাইবে না। কিন্তু যখন রেফ্রিজারেটর ঠিক ভাবে কাজ করে তখন কম্প্রেসার থেকে হালকা আওয়াজ বের হয়। কিন্তু ফ্রিজের কম্প্রেসার ঠিক ভাবে কাজ না করলে সেই আওয়াজ অনেকটাই বেড়ে যায় তাই সেইদিকে বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি।
উল্লেখ্য,
বিস্ফোরণের আগে রেফ্রিজারেটরের পেছনের দিক খুব গরম হয়ে যায়। এই কারণে ফ্রিজের কম্প্রেসার ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না, আর তাতেই হঠাৎ আগুন ধরে যায়। যদি ফ্রিজটি হঠাৎ করে গরম হয়ে যায় বা ঠান্ডা হতে না চায় তাহলে তখন প্রথমে ফ্রিজটি বন্ধ করে দিতে হবে। এবং তাতে যেন কোনোরকম বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকে সেইদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তারপর ধীরে ধীরে ফ্রিজটি যখন বাইরে থেকে ঠান্ডা হয়ে যাবে তখন কোনো বিশেষজ্ঞকে ডেকে পরীক্ষা করে নিতে হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন পরিবেশ অনুসারে ফ্রিজের তাপমাত্রা সেট করলে বিস্ফোরণ এড়ানো সম্ভব হবে।
“Restriction on refrigerator” কত তাপমাত্রায় রাখবেন ফ্রিজ?
১) গ্রীষ্মকালে রেফ্রিজারেটর ৩-৪ নম্বরে রাখা উচিত। যাতে ঠান্ডার ভারসাম্য বজায় থাকে। অর্থাৎ খুব বেশি ঠান্ডা বা খুব কমও না হয়।
২) শীতকালে রেফ্রিজারেটরের সেটিংস ১ নম্বরে রাখা উচিত। এমনকি শীতকালে অনেকেই মাঝে মাঝে রেফ্রিজারেটর বন্ধ করে দেন যা একদমই ভুল। কারণ একই সময় যদি রেফ্রিজারেটরটি দীর্ঘক্ষণ বন্ধ রাখা হয় তাহলে তার কম্প্রেসার জ্যাম হতে পারে এবং এটি চালু করলে উত্তপ্ত হয়ে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।
তাছাড়া রেফ্রিজারেটর মেরামত করার সময় অনেকেই খরচ বাঁচাতে বা মেরামত করার জন্য স্থানীয় যন্ত্রাংশ ব্যবহার করেন, এর জন্যও বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। তাই কম্প্রেসারটি সবসময় কোম্পানির কারিগর বিশেষজ্ঞ দ্বারা মেরামত করা উচিত এবং শুধুমাত্র আসল যন্ত্রাংশই ব্যবহার করা উচিত। তাই রেফ্রিজারেটরের বিকল্পতা মোটেই উপেক্ষা করা যাবে না।